সঠিক ইসলামি আকিদার বদলে আমাদের সমাজ আজ কুসংস্কার ও বিজাতীয় সংস্কৃতির অন্ধকারে নিমজ্জিত।
মাজার কেন্দ্রিক উপাসনা, মৃত অলি-আউলিয়ার কাছে সাহায্য চাওয়া এবং ভাগ্য গণনায় বিশ্বাস করা। এটি ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ।
রিয়া (লোক দেখানো ইবাদত) এবং কালো সুতা, টিপ বা 'গুড লাক চার্ম' ব্যবহার করা। রাসুল (সা.) বলেছেন, "যে তাবিয ঝুলালো, সে শিরক করল।"
আল্লাহর চেয়ে অন্য কাউকে বেশি ভয় করা বা ভালোবাসা। লোকলজ্জার ভয়ে দ্বীন পালন না করা।
"যে ব্যক্তি কোনো সম্প্রদায়ের সাদৃশ্য অবলম্বন করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত।"
অশ্লীলতার প্রসার এবং বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ককে উৎসাহিত করে, যা ইসলামি সংস্কৃতির বিরোধী।
মৃত আত্মার ফিরে আসার শিরকি বিশ্বাস এবং শয়তানের সাদৃশ্য অবলম্বন করা।
বদনজর বা জিনের প্রভাব থেকে বাঁচার জন্য কুরআন ও সুন্নাহ সম্মত ঝাড়-ফুঁক। শিরকি মন্ত্র বা তাবিজ বর্জন করা আবশ্যক।
সুরক্ষার শক্তিশালী দোয়া: "বিসমিল্লাহিল্লাজি লা ইয়াদূর্রু মা'আ ইসমিহি শাইউন..." (সকাল-সন্ধ্যায় ৩ বার)।
শিশুকে 'জিনের ভয়' বা 'জুুজু বুড়ির ভয়' না দেখিয়ে আল্লাহর পরিচয় ও তাওহিদ শেখান। ভয়ের সময় আয়াতুল কুরসি ও তিন কুল পড়ার অভ্যাস করান।
পরিবারের দৈনন্দিন আলোচনায় তাওহিদের চর্চা করুন। 'গুড লাক'-এর বদলে 'বারাকাল্লাহ' বলার অভ্যাস করুন।
'সোনামণি সিরিজ'-এর মতো সীরাতভিত্তিক বই শিশুদের হাতে তুলে দিন, যা তাদের মনে সাহসিকতা ও ঈমানি চেতনা জাগাবে।
বিজাতীয় উৎসবের দিনে সন্তানদের নিয়ে বাসায় বিকল্প আয়োজন (ভালো খাবার, ইসলামি কুইজ) করুন।